ভিপি নুর থেকে ধর্ষক মজনু - Iqbal Hussein Baltu

 Iqbal Hussein Baltu

ধর্ম দিলো পূর্ণতা, পশু হলো স্বাধীন চেতা।

ভিপি নুর থেকে ধর্ষক মজনু

Share This



ভিপি নুরের ওপর হামলা ধামাচাপা দিতে-ই কি এই মজনুর ধরা। সকলের মুখে এখন ধর্ষক মজনু কথা। একএক জনের একএক মত। র্যাব একবার বলছে যে দিন মজুরি আবার একবার বলে সে ড্রায়ভার। এই মজনু একজন প্রতিবন্ধী। ভালো করে কথা বলতে পারেনা। হাটার সময় টলমল করে। সেই ব্যক্তি কিভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ৩/৪ ঘন্টা ধরে ধর্ষণ করে? সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এমন। সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করতে পারছেনা। 

অনেকে ধারণা করছে ভিপি নুরের ওপর সন্ত্রাসী হামলাকে ধামাচাপা দিতে-ই এমন ঘটনা। ভিপি নুরের ওপর হামলার মুল সন্ত্রাসীদের এখনো গেরেপতার করা হয়নি। মানুষ আগ্রহী হয়ে ছিলো। ভিপি নুরের ওপর হামলাকারীদের কি গেরেপতার করা হবে না কি নতুন কোন ইসু আসবে? ঠিকি এখন  সাধারণ মানুষ ও মিডিয়ার দৃষ্টি কিন্তু সরে গেছে। অতীততে আমরা এমন দেখেছি।

সাগর রুনি, বিশ্বজিৎ, এসপি পত্নী মিতু হত্যা, কুমিল্লার তনু হত্যা, রিজার্ভ চুরি, নারায়ণগঞ্জের সেভেন মাডার, রিফাত হত্যা ভারতের সাথে অবৈধ চুক্তিসহ একএকটি ইসু অন্য ইসু দিয়ে চাপিয়ে দেয়ার  ঘটনা। ধর্ষক মজনুর ঘটনায় চাপা পড়ে গেছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। আলোচনার বাইরে চলে গেছে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আলোড়ন তোলা অনেক ইস্যু। সব কিছু ছাপিয়ে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও আলোচনা সবই এখন ধর্ষক মজনু নিয়ে।

আলোচনার বাইরে চলে গেছে ভারতে এনআরসি বাংলাদেশের জন্য কতটা হুমকি। আলোচনার বাইরে চলেগেছে বাংলাদেশের স্বার্থ বিকিয়ে ভারতকের সব দিয়ে আসা অবৈধ চুক্তি। আলোচনার পথ ঘুরে গেছে আওয়ামীলীগ নেতা ওবায়দুল কাদেরে ৯কোটি টাকা দামের হাতের ঘড়ি। অর্থনৈতিক বিশেজ্ঞরা বলছে যেকোনো সময় বাংলাদেশের অর্থনীতি ধসে পরতে পারে।

সব যেন আড়াল করে দেয়া হচ্ছে।  আড়ালে চলে যাওয়া অন্য ইস্যুগুলোকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ আইনের শাসনের জন্য সব ইস্যুর সুষ্ঠু সমাধান প্রয়োজন। কারণ ইস্যুগুলোর সমাধান না হলে বঞ্চিত ও ক্ষুব্ধরা যে কোনোভাবেই আইন হাতে তুলে নেওয়ায় উদ্বুদ্ধ হতে পারে বলে অভিমত মনোবিজ্ঞানীদের। 

আবরারের হত্যা কারীদের বুয়েট থেকে বহিষ্কার করা হয়। তারপর আবার তাদের পরিক্ষার অনুমতি দেয়া হয়। বাহ বাহ কি সুন্দর তাই না। এভাবে চলছে, চলছে বেস বাংলাদেশ। সাগর রুনির হত্যার তদন্ত পড়ে আছে র্যাবের দফতরে । কবে বের হবে এ রিপট তার প্রহর গুণছে। 

একই ভাবে তদন্ত থমকে গেছে তনু হত্যাকাণ্ডের। কবর থেকে লাশ তুলে ফরেনসিক পরীক্ষার পর আর কোনো অগ্রগতি নেই সামাজিক যোগাযোগে আলোচনার মাধ্যমে গণমানুষের দৃষ্টিতে উঠে আসা কিশোরী তনু হত্যাকাণ্ডের।

সারা বিশ্বের আলোড়ন তোলা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির পর সেই টাকা উদ্ধারের প্রক্রিয়া আজ কত দুর।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ভিপি নুরের ওপর সন্ত্রাসী হামলা  সঙ্গে জড়িতদের কি শাস্তি হবে কি হবেনা ধরা পড়বে কি পড়বেনা এবিষয় ছিল গণমাধ্যমের মূল আকর্ষণের বিষয়। কিন্তু এক বির্তকীত ধর্ষক মনজু ছাপিয়ে গেছে তাও।

একএকটি ঘটনা এমন ভাবে ধামাচাপা দেয়া হচ্ছে তাতে সরকার ও প্রসাশনের প্রতি মানুষ বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। ক্যাসিনোর ঘটনা বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করলও কিন্তু মুল হোতারা থাকলো ধোরা ছয়ার বাহিরে। দেশের মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে তবে দেশের মানুষ বোকা না।
আর এভাবে চলছে একটি বাংলাদেশ,
ধিরে ধিরে ফুরায়ছে দিন শেষ।

No comments:

Post a Comment

Pages