শিশুদের যে ভাবে মেধাবী করে গড়ে তুলতে হয়। - Iqbal Hussein Baltu

 Iqbal Hussein Baltu

ধর্ম দিলো পূর্ণতা, পশু হলো স্বাধীন চেতা।

শিশুদের যে ভাবে মেধাবী করে গড়ে তুলতে হয়।

Share This
 আপনার শিশুই করবে বিশ্ব জয়, আপনি কি চান ?  তাহলে অনুসরণ করুণ।

 এতে অমত করার কোনই সুযোগ নেই যে, আপনার শিশু ইন্জিনিয়ারিং, সংগীত, জ্ঞ্যান বিজ্ঞান সহ জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই অন্যদের থেকে অনেক অনেক এগিয়ে থাকবে এবং বিশেষ করে ব্যবসার ক্ষেত্রে। একটি মানুষের ১০০% মেধার মধ্যে মায়ের গর্ভে থাকাকালীন ৭৫% তৈরী হয় আর বাকী ২৫% জন্মের দু'বছরের মধ্যে তৈরি হয় এবং বাচ্চা জন্ম হবার দু'বছরের মধ্যে বাচ্চাকে ফলমূল ও ভিটামিন জাতিয় খাবার খাওয়াতে হবে অতএব যদি সঠিক ভাবে পরিচর্যা করা হয় তবে একটি শিশুকে পূর্ণাঙ্গ মেধাবী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। শিশুকে মেধাবী বানাতে গেলে নিজেদের প্রচেষ্টার বিকল্প কিছু নাই।

গর্ভাবস্থায় প্রাকপ্রস্তুতি :- সেটা হচ্ছে গর্ভবতী মায়েদের সবসময় কুরআন,হাদীস ও ইসলামী বই এবং তাদের স্বামীদেরকে নিয়ে গানিতের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা। গর্ভবতী মহিলারা সবসময় তাদের কাছে গনিতের বই নিয়ে রাখবে বা ঘুরতে হবে।  যাতে শিশু গর্ভে থাকা অবস্থা থেকেই প্রশিক্ষন নিতে পারে এবং পরবর্তীতে জন্মের পর আরো বেশি মেধাবী হয়ে বেড়ে উঠতে পারবে। বাচ্চা প্রসবের আগ পর্যন্ত এই গানিতিক সমস্যার সমাধান চালিয়ে যাতে হবে।

খাদ্যাভ্যাস :- এর পরেই যে জিনিষটি করতে হবে সেটি হচ্ছে খাদ্যাভাস। গর্ভবতী মায়েরা আলমন্ড খেজুড় আর দুধ খেবে। দুপুরের খাবারের তালিকায় থাকতে হবে রুটি এবং মাছ(মাথা ছাড়া), আলমন্ড এবং অন্যান্য বাদাম যুক্ত সালাদ। মাছ হচ্ছে মস্তিষ্কে পুষ্টি সরবরাহ করে অপর দিকে মাছের মাথা মস্তিষ্কের জন্য খারাপ। এছাড়াও গর্ভবতী মহিলাদের কড লিভার খাওয়া। মাছ খেতে হবে এবং মাংশ পরিত্যাগ করতে হবে। মাছ এবং মাংশ দুটি একসাথে খেলে তা শরিরের কোনো কাজে লাগে না। অপর দিকে সালাদ এবং বাদাম খাদ্য তালিকায় অবশ্যই থাকতে হবে, বিশেষ করে আলমন্ড।  যে কোনো প্রধান আহারের আগে ফল খাতে হবে। যদি প্রধান আহারের পরে ফল খাওয়া হয় তবে তা নিদ্রার উদ্রেগ ঘটাবে যা পাঠ গ্রহনের ক্ষেত্রে বাধার কারন হয়ে দাড়াবে।

 নিষিদ্ধ :-  বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের মতে, ধুমপান মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ধীরে ধীরে ধ্বংশ করে দেয় এবং শরীলের জ্বীন এবং ডিএনএ কে ক্ষতিগ্রস্থ করে ফলে বংশপরম্পরায় ত্রুটিযুক্ত মস্তিষ্কের কোষযুক্ত বাচ্চা জন্মগ্রহন করবে। বংশপরম্পরা বোকা/ গর্ধব এক প্রজন্ম গড়ে ওঠে। ধুমপান নিষিদ্ধ করতে হবে।

পিতামাতার দায়িত্ব :- বাচ্চারা কি খাবার খাবে সেটা সবসময় তাদের পিতামাতা ঠিক করে দিতে হবে। প্রথমে ফল খাবে এরপর প্রধান খাবার খাবে যেমন রুটি মাছ এর পর কড লিভারের তেল খাবে। মাছ মেধাশক্তি বৃদ্ধি করে থাকে তাই মাছ খাওয়ার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।  শিশুকাল থেকেই প্রত্যেকটি বাচ্চাকে কুরআন, হাদীস, গণিত ও ইসলামী গান শিক্ষা দিতে হবে । এতে করে তাদের আইকিউ লেভেল এর বৃদ্ধি ঘটে এবং বাচ্চারা মেধাবী হয়ে বেড়ে উঠেতে সাহায্য করে। জিউস বিজ্ঞানীদের মতে, সঙ্গীতের কম্পন মস্তিষ্কের কোষগুলোকে উদ্দীপিত করে। তাদেরকে গনিত এবং ব্যাবসাশিক্ষা শিক্ষা দিতে হবে বেশি বেশি। বাচ্চারা কিছু বিশেষ খেলায় অংশগ্রহন করার সুযোগ দিতে হবে যেমন, দৌড়, ধনুবিদ্যা এবং শুটিং। শুটিং এবং ধনুবিদ্যা বাচ্চাদের মস্তিষ্ক্যকে সঠিক ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে সাহায্য করে। উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান শিক্ষার উপর বিশেষ জোড় প্রদান করা।নামাজ পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এতে তাদের মস্তিষ্কে আরো অধিক পরিমান অক্সিজেন সরবরাহ করে।

সন্তানের গায়ের রং যদি পরিষ্কার বানাতে চান তাহলে -

১/- শিশু গর্ভাবস্থা থাকার সময় মাকে প্রতিদিন একগ্লাস দুধের সাথে জাফরং মিশিয়ে খেতে দিতে হবে।

২/- শিশু গর্ভাবস্থা থাকার সময় মাকে ডাবের ভেতরে থাকা পানি ও সাদা অংশ খেতে দিতে হবে প্রতিদিন।



No comments:

Post a Comment

Pages